ভারতের নয়া দিল্লিতে মাল্টা দূতাবাসে ফাইল জমা দিয়ে ভোগান্তিতে বাংলাদেশিরা

বিশ্ব

নিউজ লাইনঃ মাল্টা, ভূমধ্যসাগরের বুকে ইউরোপের ছোট একটি দেশ। জনসংখ্যার তুলনায় দেশটির নিয়মিত পর্যটকের সংখ্যা অনেক বেশি। তাই রয়েছে নানা ধরনের কাজের সুযোগ।

সেই আকর্ষণে দেশিটিতে ঢুকতে বেশ আগ্রহী বাংলাদেশের নানা বয়সী মানুষ। মাল্টা সরকারও সেই সুযোগ দিচ্ছে।

তবে এদেশে যেতে সব প্রক্রিয়া শেষ করে ফেস করতে হয় দূতাবাস। কিন্তু বাংলাদেশে দেশটির কোন দূতাবাস বা ভিএফএস না থাকায় যেতে হয় প্রতিবেশি দেশ ভারতে। তবে সম্প্রতি ভারতে গিয়ে ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সময় নষ্ট ও ভিসা জটিলতায় নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন মাল্টাগামি এসব বাংলাদেশীরা।

একই সমস্যায় সিলেট মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানার অনেক ভুক্তভোগী রয়েছেন। এর মধ্যে একজন মোহাম্মদ হোসাইন আহমদ সিলেট লাইন ২৪ ডটকমকে বলেছেন- উনার পাসপোর্ট চেন্নাই বিএফএস সেন্টারের জমা দেওয়ার দুই মাস অতিবাহিত হওয়ার পর এখনো উনার পাসপোর্ট হাতে পান নাই। এমতাবস্থায় চেন্নাই ভিসা সেন্টারে গিয়ে উনাদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা সন্তোষজনক কোন উত্তর দিতে পারছে না। কাজেই এসব বাংলাদেশী নাগরিকদের চলমান সংকট সমাধানে এগিয়ে আসতে বাংলাদেশ সরকার সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের একান্ত সহযোগিতা কামনা করছেন।

তাদের মধ্যে থেকে আরও  বলেছেন, সব ধাপ শেষ করে দূতাবাসে ফাইল জমা করার পর তারা এখন ডেলিভারি দিচ্ছেন ৬০ থেকে ৮০ দিনে। এ রিপোর্টের সময়ের মাত্র কদিন আগেও ডেলিভারি দেয়া হত ৩০ থেকে ৩৫ দিনে। তাহলে এমন সময় বাড়ানোর কারণ কি মাল্টা দূতাবাসের?

এদিকে, এ কাজে আসা প্রার্থীদের ভারতে থাকার সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসার মেয়াদ থাকে দুই মাস। মাল্টা দূতাবাস এই সময়ে ডেলিভারি দিচ্ছেনা। এরপর মেয়াদ বাড়াতে গেলে শর্ত সাপেক্ষে জরিমানা গুণতে হয় অনেককে। আর বাড়তি সময় ভারতে অবস্থান করতে অতিরিক্ত খরচও গুণতে হচ্ছে তাদের।

এ অবস্থায় তাদের প্রত্যাশা বাংলাদেশ সরকার সব সংকট সমাধানে দ্রুত মাল্টা ও ভারত সরকারের সাথে আলোচনায় বসবে। দেশের জন্য ভবিষ্যৎ রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের হয়ে সরকার শিগগিরই বিশেষ ভুমিকা নেবে, এমন প্রত্যাশাও তাদের।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.