ব্যবসা-বাণিজ্যের একাল সেকাল-ড. মো. আব্দুল হামিদ

মুক্তমত

 

বর্তমানে পড়ছি সুভাষ সমাজদারের লেখা ‘বাণিজ্যে বাঙ্গালী: সেকাল ও একাল’ বইটি। তার আগে পড়লাম শ্রী তারিণীকান্ত বিদ্যানিধি রচিত ‘প্রাচীন ভারতের বাণিজ্য’, যা প্রায় ১০০ বছর আগে কলকাতা থেকে প্রকাশিত। বেশ কিছুদিন থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যের ইতিহাস বিষয়ে পড়ছি। বিশেষত আমাদের এ অঞ্চলে তার উদ্ভব ও বিকাশ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভের চেষ্টায় আছি। ভিত্তি হিসেবে বই দুটি বেশ সহায়ক হয়েছে।

তবে এ নিবন্ধের সূচনা সেগুলো পড়তে গিয়ে হলেও আলোচ্য বিষয় প্রাচীনকালের নয়। সেটা নিয়ে আলাদাভাবে লেখার ইচ্ছা আছে। বরং আধুনিক যুগে ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্রমবিকাশ ও প্রবণতার ওপর ফোকাস করা হয়েছে।

বিশ্ববাণিজ্যের ইতিহাস মূলত দুই ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগ আদিকাল থেকে অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত। তখন ব্যবসা ছিল ব্যক্তি ও পরিবারকেন্দ্রিক। স্বল্প পুঁজি ও ক্ষুদ্র পরিসরে পরিচালিত। অনেকটা ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের আকারে। ফলে উৎপাদন, বণ্টন, মজুদ, বিক্রি সবই হতো ব্যক্তি পর্যায়ে। ব্যবসা-বাণিজ্যের চর্চায় উৎপাদিত বস্তুর সঙ্গে যুক্ত হতো পূর্বপুরুষদের অভিজ্ঞতা। বাপ-দাদার কাছ থেকেই শিখতে হতো ব্যবসায় সাফল্যের কৌশল ও মূলনীতি।

চাকা আবিষ্কার হয় এখন থেকে প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে মেসোপটেমিয়ায়। তবে এর গতিশীল ও বৈচিত্র্যময় ব্যবহারই শিল্প বিপ্লবের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি রেলগাড়ির উদ্ভব অতি স্বল্প সময়ে অনেক কিছু বদলে দেয়।

একদিকে উৎপাদনের মাত্রা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ে। অন্যদিকে তার বণ্টন ব্যবস্থা সহজ হয়। তখন বহু ব্যবসা একক পরিবারের পক্ষে সামলানো কঠিন হয়। অন্যদের সঙ্গে মিলেমিশে উৎপাদন ও বণ্টন করাটা হয়ে ওঠে অনিবার্য।

বিংশ শতাব্দীর বেশ কয়েকটি পর্যায়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চর্চায় দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়। ১৯২০ সালের দিকে শিল্প-কারখানায় কর্মরতদের স্বতন্ত্র মানুষ হিসেবে গণ্য করার চল শুরু হয়। সেক্ষেত্রে Elton Mayo ও Abraham Maslow-এর অবদান বিশেষভাবে উল্লেখ্য।

তারাই মূলত কারখানা মালিকদের বোঝাতে সক্ষম হন যে প্রতিটি মানুষ আলাদা। তাই তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বিবেচনায় নিয়ে কর্মে নিয়োজিত করলে অধিকতর কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে।

এ ভাবনা কার্যকর হওয়ার পথেই সারা বিশ্ব মুখোমুখি হয় ধ্বংসাত্মক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের। ফলে যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্ব ছিল সত্যিকার অর্থেই এক নতুন পৃথিবী। তখন পৃথিবীটা যেন দ্রুতই ছোট হয়ে আসে।

ব্যবসা-বাণিজ্যের আওতা এমনভাবে বাড়তে থাকে যে চাইলেই পৃথিবীর এক প্রান্তের ব্যবসায়ী অন্য প্রান্তের লোকদের সঙ্গে কেনাবেচা করতে পারে। দূরবর্তী স্থান থেকে সস্তায় ভালো মানের কাঁচামাল সংগ্রহের প্রতিবন্ধকতাও বহুলাংশে দূর হয়। এ ধারা বিশ্বময় বড় কোম্পানি গঠন ও তার বিস্তারে ভূমিকা রাখে।

ফলে কাঠুরের কাজ চলে যায় মেশিনের কাছে। তাঁতির পোশাক তৈরির দায়িত্ব নেয় সুতা ও কাপড় কলগুলো। মানুষের সৃজনশীলতাকে পাশ কাটিয়ে দক্ষ আউটপুট পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো। শুরু হয় বিস্তর গবেষণা। এ পর্যায়ে Henri Fayol ও Frederick Taylor প্রদত্ত মডেল বড় কলকারখানাগুলোর উৎপাদনশীলতা বাড়াতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।

তবে ক্রমবর্ধমান এ চর্চা সবার অলক্ষে কর্মীদের উপেক্ষা করতে শেখায়। তীব্র প্রতিযোগিতায় টিকতে গিয়ে তারা efficiency ও effectiveness-এর ব্যাপারে বিশেষভাবে মনোযোগী হয়। যেকোনো উপায়ে বেশি পরিমাণ উৎপাদনের কৌশল আয়ত্ত করার উপকরণে পরিণত হয় একেকজন কর্মী।

এখানে বলে রাখা ভালো, চল্লিশের দশকে বিজ্ঞাপন বিশেষজ্ঞ Rosser Reeves এক নতুন ধারণা (Unique Selling Proposition) হাজির করেন। এর মাধ্যমে সমধর্মী পণ্যগুলোর মধ্য থেকে একটি পণ্য কীভাবে আলাদা বা ‘অন্যদের চেয়ে ভালো’, তা ফোকাস করার প্রবণতা বাড়ে।

ষাটের দশকে এসে ক্রেতাদের শুধু পণ্য সম্পর্কে বলার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ফলে কোম্পানিগুলো তাদের কথা শোনার প্রয়োজনীয়তাও অনুভব করে। যতটা সম্ভব ভোক্তাদের মতামত পণ্যে প্রতিফলন করার ধারাও শুরু হয় এ সময়ে।

ফলে ক্রেতাদের প্রত্যাশা মোতাবেক পণ্যের ডিজাইন করা কিংবা বণ্টন চ্যানেল বিস্তৃত করার ধারা মূলত তখনই শুরু হয়। তবে পণ্যের গুণগত মানের চেয়ে ‘কৃত্রিম হাইপ’ সৃষ্টি করে সফলতা পাওয়ার কিছু দৃষ্টান্তও তখন দেখা যায়।

কৃত্রিম হাইপ তুলে সফলতা পাওয়া এবং জাপানি স্ট্রাকচারড উৎপাদন ব্যবস্থা মোকাবেলা করতেই মূলত পশ্চিমা কোম্পানিগুলো টোটাল কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিকিউএম) অ্যাপ্রোচের সূচনা করে। ফলে এতদিন যে মনোযোগ শুধু পণ্যের গুণগত মানের প্রতি নিবিষ্ট ছিল, তা বিস্তৃত হতে থাকে।

দীর্ঘমেয়াদে সফলতা প্রত্যাশী কোম্পানিগুলো জিরো ডিফেক্টস ম্যানেজমেন্টের (Zero defects management) প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগী হয়। তাছাড়া W. Edwards Demming & Philip B. Crosby প্রদত্ত মডেলগুলোয় পণ্যের গুণগত মানের জন্য শুধু প্রডাকশন লাইন নয়, বরং পুরো প্রসেস কিংবা পুরো প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয় করার বিষয়টিও সামনে আনা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গোটা দুনিয়ায় জাপানি দর্শন কাইজেনের (Kaizen: continuous improvement of everything, by everyone) চর্চা বাড়তে থাকে।

পরবর্তী সময়ে টিকিউএমকে আরো গবেষণা করে সিক্স সিগমাতে উন্নীত করা হয়। ১৯৮৬ সালে মটোরোলা কোম্পানি এটি উদ্ভাবন করে আর জেনারেল ইলেকট্রিকের প্রধান নির্বাহী Jack Welch এটার প্রথম প্রয়োগ করেন। এভাবে ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয়গুলোয় মনোযোগ দেয়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে। প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নয়ন ও তাত্ত্বিক গুরুদের গবেষণা এ যাত্রায় সম্পূরক ভূমিকা পালন করে।

নব্বইয়ের দশকে ‘টেলিভিশন’ সত্যিকার অর্থেই ব্যবসায়ের ধারা বদলে দিতে সক্ষম হয়। অঘোষিত মিডিয়া বিপ্লবের ফলে কোম্পানিগুলো নতুন এক কর্মপদ্ধতির মধ্য দিয়ে সফলতা পেতে মরিয়া হয়ে ওঠে। স্যাটেলাইট চ্যানেলের প্রচণ্ড দাপটের মাঝে আবির্ভাব ঘটে মোবাইল টেলিফোন প্রযুক্তির।

একসময় তা ব্যবসায়ীদের যোগাযোগের কাজটি সহজ করে দেবে—এ ভাবনা থেকেই তারা সেটা পিক করে। কিন্তু ক্রমেই তারা এক্সপ্লোর করল যে ওই ফোনের মধ্যেই মিলিয়ন-বিলিয়ন ডলারের ব্যবসা লুক্কায়িত রয়েছে। ফলে তার বিস্তার ঘটতে থাকে কল্পনার চেয়েও দ্রুতগতিতে।

আর ক্রমেই তা সর্বগ্রাসী হয়ে ওঠে। স্মার্টফোন ও অ্যান্ড্রয়েড টেকনোলজি আসার ফলে রেডিও, টেলিভিশন, ক্যাসেট প্লেয়ার, ক্যামেরা, ঘড়ি, ভিসিপি, ভিসিআর, ভিডিও ক্যামেরা, স্ক্যানার, ফটো স্টুডিও, কালার ল্যাব, স্টপ ওয়াচ, ডায়েরি, নোটবুক, কার্ড (ভিউকার্ড, ঈদকার্ড, নববর্ষের কার্ড) ইত্যাদি শিল্প সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পোস্ট অফিসের কথা অনেকে ভুলতে বসেছেন। মানি অর্ডার সার্ভিসও বিকাশ, নগদে চলে এসেছে। সিনেমা হল, যাত্রাপালা, মঞ্চ নাটক, সার্কাস, জাদু প্রদর্শনীর ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমেছে। এমন আরো কত শিল্প যে ধুঁকছে বা হারিয়ে যাচ্ছে, আমরা হয়তো তার খবরও রাখি না।

যাহোক, ১৯৯৬ সালে ইন্টারনেটের উদ্ভব সত্যিকার অর্থেই এক যুগান্তকারী ঘটনা। আলাদিনের চেরাগের চেয়েও দ্রুতগতিতে বিশ্বের এক প্রান্তের মানুষের সঙ্গে অন্য প্রান্তের মানুষকে সংযুক্ত করার ক্ষমতা ইন্টারনেটকে রাতারাতি জনপ্রিয় করে তোলে।

শুরুতে শিক্ষিত, সচেতন ও প্রাতিষ্ঠানিক লোকদের মাঝে এর ব্যবহার সীমাবদ্ধ থাকলেও ক্রমে তার ব্যবহারকারীর সংখ্যা ও ব্যবহারের ধরন বিস্তৃত হচ্ছে। ব্যবসায়ের সেকেলে কাঠামোয়ও বড় এক ধাক্কা দিয়েছে এ প্রযুক্তি পণ্য।

শিল্পের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী সামনে তা আরো বিকশিত হবে সেটা সহজেই অনুমেয়। আইফোন, স্মার্টফোন, ট্যাব, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ অসংখ্য বাহনে ভর করে ইন্টারনেট এখন বিশ্ববাণিজ্যের লাইফলাইন হয়ে উঠেছে। ফেসবুকের সূচনা, ইউটিউব, নেটফ্লিক্সসহ অসংখ্য গণমাধ্যম পুরো সিস্টেমে সত্যিকার অর্থেই বড় এক ঝাঁকুনি দিয়েছে।

আমাদের শৈশব আর কৈশোরের সঙ্গে এখনকার শিশু-কিশোরদের ভাবনার জগৎ কোনোভাবেই মেলে না। বিশ্বগ্রামের বাসিন্দা হিসেবে আমরা এখন সবাই পরস্পর সংযুক্ত। কিন্তু এ চর্চা একদিকে যেমন অপার সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে, ঠিক তেমনিভাবে তা আমাদের জন্য ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। নানা পক্ষ বহু দৃষ্টিকোণ থেকে সতর্ক করছে। কিন্তু বিশ্ব এখন ঝুঁকেছে ওইসব প্রযুক্তি পণ্যের দিকে। বড় ধাক্কা ছাড়া তা থামবে বলে মনে হয় না।

পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি প্রডাকশন সিস্টেমেও এনেছে বড় পরিবর্তন। উৎপাদন ব্যয় কমানো ও টার্গেট মার্কেটের কাছে সহজে পৌঁছানোর লক্ষ্যে কোম্পানিগুলো আর তাদের উৎপাদন কর্মকাণ্ড একক কোনো স্থানে সীমাবদ্ধ রাখছে না। ফলে শ্রমনির্ভর বা কাঁচামাল সরবরাহকারী অঞ্চলগুলোয় উৎপাদন কারখানা শিফট করছে।

সম্ভব হলে নিজেরা উৎপাদনের পরিবর্তে অন্যদের কাছ থেকে কিনে নিচ্ছে। এ কারণেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার পোশাক-আশাকের প্রায় পুরোটাই আমদানি করছে। বড় ফ্যাক্টরিগুলো বন্ধ করে তা মেক্সিকো, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা এমনকি চীনে পাঠাচ্ছে। বাংলাদেশের মতো দেশ থেকেও বিপুল পরিমাণ পণ্য কিনছে।

এমন প্রবল গতিতে যখন ব্যবসা-বাণিজ্যের বিস্তার ঘটছিল, ঠিক তখনই করোনার আঘাত (২০১৯—২২) বিশ্বকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। কারণ সবকিছুর জন্য চীন নির্ভরতা বা বিশেষ কয়েকটি দেশের ওপর নির্ভরশীল থাকা ঠিক কতটা যৌক্তিক, তা নিয়ে বিশ্ববাণিজ্যের নীতিনির্ধারকরা এরই মধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

একবিংশ শতাব্দীর এ মহামারী বিশ্বকে আসলে কী শিক্ষা দিয়ে গেল তা বুঝতে আরো কিছুটা সময় লাগবে। বাংলাদেশে এর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা হওয়া জরুরি।

তবে অপ্রতিরোধ্য গতিতে মহামারী খুব সার্থকভাবেই রাশ টানতে সক্ষম হয়েছে। নিজেদের বোধকে জাগানোর জন্য এটা বুঝি খুব দরকার ছিল। আগে ধারণা করা হতো শিল্প-কারখানা স্থাপনের মাধ্যমেই ব্যবসার বিস্তার হয়। সেগুলো বড় ব্যবসায়ের প্রতীকও ছিল একসময়।

কিন্তু গত এক দশকে বড় কোম্পানি বলতে যা বোঝায় তা কিন্তু পুরোপুরি সেই ধারণা বদলে দিয়েছে। খেয়াল করুন, অনেক ক্ষেত্রে শুধু অফিস ছাড়া তাদের অনেকেরই আলাদা বড় স্থাপনার দরকার হচ্ছে না!

গুগল, ফেসবুক, ইউটিউব, নেটফ্লিক্সের মতো সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিস্তারও বিশেষভাবে লক্ষণীয়। পরিবহন, হোটেল, ব্যাংক, পর্যটন, টেলিকম, আইএসপি, কনসালট্যান্সি বিবিধ প্রতিষ্ঠানগুলোর টোটাল ব্যবসায়ের তুলনায় স্থাবর সম্পদ বা অবকাঠামোর প্রয়োজনীয়তা দ্রুতই কমে যাচ্ছে। ফলে প্রচলিত ব্যবসায়ের ধারণা বদলে যাচ্ছে।

সেই সঙ্গে কর্মীদের চাকরির নিশ্চয়তা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে। আগে সারা জীবন এক প্রতিষ্ঠানে কাজ করার কথা ভাবা হতো। এখন তা অনেকটাই বদলে গেছে। এমনকি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরাও প্রায়ই জব সুইচ করছেন। এ প্রবণতা ভবিষ্যতে বাড়বে বৈ কমবে না।

তাই আপনারও সারা জীবন শিখতে থাকা, নিজেকে সমৃদ্ধ করা আর বেটার সুযোগ নিয়ে জব সুইচ করাটা শিখতে হবে। নইলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, কেউ আপনার আহাজারি শুনবে না!

ড. মো. আব্দুল হামিদ: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষক ও ‘পোস্ট ক্রাইসিস বিজনেস’ বইয়ের লেখক। উৎস: বণিকবার্তা, ১০ মে ২০২২।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.