বেলজিয়ামকে হারিয়ে নেশন্স লিগের ফাইনালে ফ্রান্স

খেলাধুলা

প্রথমার্ধ যদি হয় বেলজিয়ামের তবে নিশ্চিতভাবেই দ্বিতীয়ার্ধ ফ্রান্সের। প্রথমার্ধে দুই গোলে এগিয়ে বেলজিয়ামকে দ্বিতীয়ার্ধে তিন গোল দিয়ে উয়েফা নেশন্স লিগের ফাইনালে পৌঁছেছে ফ্রান্স।বৃহস্পতিবার রাতে তুরিনের আলিয়াঞ্জ স্টেডিয়াম রোমাঞ্চকর দ্বিতীয় সেমিফাইনাল জিতেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।বেলজিয়ামের পক্ষে গোল করেছেন ইয়ানিক কারাস্কো ও রুমেলু লুকাকু। আর ফ্রান্সের পক্ষে গোল করেছেন করিম বেনজেমা, কিলিয়ান এমবাপে ও থিও হার্নান্দেজ।ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ের এক ও চার নম্বর দলের মধ্যে লড়াইটা প্রত্যাশিতভাবেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে শুরু হয়। বল দখলের লড়াইয়েও কাছাকাছি দুই দল। ৫২ শতাংশ বল দখলে রেখে বেলজিয়াম গোলমুখে শট নেয় ১১টি, যার মধ্যে ৬টি ছিল লক্ষ্যে। অপরদিকে ৪৮ শতাংশ বল দখলে রাখা ফ্রান্স গোলমুখে শট নেয় ১৬টি, যার মধ্যে ৬টি ছিল লক্ষ্যে।ম্যাচের ৩৭তম মিনিটে প্রথমে গোল করে বেলজিয়াম। কেভিন ডে ব্রুইনের পাস ধরে বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে প্রতিপক্ষের দুই জনের মাঝ দিয়ে বল জালে পাঠান কারাসকো।এক গোলে পিছিয়ে পড়া ফ্রান্স ফের পিছিয়ে পড়ে ম্যাচের ম্যাচের ৪০তম মিনিটে। ডে ব্রুইনের পাস দু পায়ের মাঝ দিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ফাঁকেই সঙ্গে লেগে থাকা প্রতিপক্ষকে ফাঁকি দেন লুকাকু। এরপর ক্ষিপ্র গতিতে বলের পিছু নিয়ে দুরূহ কোণ থেকে বুলেট গতির শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন চেলসির এই ফরোয়ার্ড।গোল শোধে মরিয়া ফ্রান্সের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে দ্বিতীয়ার্ধে। ম্যাচের ৬২ মিনিটের সময় এমবাপে-বেনজেমা জুটি থেকে আসে এই গোল। এমবাপে বাঁ দিক দিয়ে একজনকে কাটিয়ে ডি-বক্সে বেনজেমাকে খুঁজে নেন। প্রতিপক্ষের চার জনে ঘিরে থাকা অবস্থায় ঠান্ডা মাথায় গোলপোস্ট পেছনে রেখে বল ধরে শরীর ঘুরিয়ে নিচু শটে গোলটি করেন রিয়াল মাদ্রিদের এই স্ট্রাইকার।ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে সমতায় ফেরে ম্যাচ। ডি-বক্সের মধ্যে আতোয়ান গ্রিজম্যানকে প্রতিপক্ষের একজন ফাউল করলে ভিএআরের সহযোগিতায় পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। এমবাপের নেওয়া শট থিবো কোর্তোয়া ঠিকমত ড্রাইভ দিলেও তার বুলেট গতির শট রুখতে পারেননি।নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে হার্নান্দেজ আনন্দে ভাসান ফ্রান্সকে। ডি-বক্সের সামান্য বাইরে থেকে তার নেওয়া দুর্দান্ত শট আশ্রয় নেয় বেলজিয়ামের জালে। ফাইনালে ওঠে ফ্রান্স।বাংলাদেশ সময় আগামী সোমবার রাত পৌনে একটায় ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *