ইংল্যান্ড সফরে বাধাগ্রস্ত শায়খ মিজানুর রহমান আযহারী-মাহমুদুর রহমান দিলাওয়ার।

মুক্তমত

বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় দা’য়ী ইলাল্লাহ শায়খ মিজানুর রহমান আযহারী। বাংলা ভাষাভাষী গোটা দুনিয়ায় ব্যাপক সমাদৃত ইসলামী আলোচক। তরুণ প্রজন্মের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন প্রজন্মের কাছে তিনি সর্বাধিক সুপরিচিত ব্যক্তি। কুরআন ও হাদীসের আলোকে ক্ষুরধার যুক্তি নির্ভর এবং সাবলীল ভাষায় বাস্তবসম্মত বক্তব্য, তাকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। মধুর কন্ঠে হৃদয়গ্রাহী বয়ান তার গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করেছে। তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে চাহিদার আলোকে স্মার্ট প্রেজেন্টেশন, মেধাবীদের আকৃষ্ট করে।

বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করে দাওয়াতে দ্বীনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ইতিপূর্বে বাংলাদেশে তাফসীর, ওয়াজ ও আলোচনার ক্ষেত্রে তিনি বাধাগ্রস্ত হয়েছেন। সম্প্রতি ইংল্যান্ড সফরে যাওয়ার পথে কাতারে তাঁকে আটকে দেয়া হয়েছে। দৈনিক মানবজমিনে প্রকাশিত প্রতিবেদন (অনলাইন): ধর্মীয় আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী বৃটেনে যেতে পারেননি। লন্ডনে ‘আই অন টিভি’র আমন্ত্রণে কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশ নেয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু তাঁকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি দেশটির হোম অফিস। আজহারীর যুক্তরাজ্যে যাওয়ার সংবাদে বিভিন্ন সংগঠনের তরফে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছিল। একইসঙ্গে তার সফরের পক্ষে অবস্থান নিয়ে তাকে স্বাগত জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সমর্থকরা। মিজানুর রহমান আজহারী মঙ্গলবার রাতে মালয়শিয়া থেকে কাতার বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর লন্ডনের ফ্লাইটে উঠার সংশ্লিষ্ট গেটে গেলে তাকে যুক্তরাজ্যগামী ফ্লাইটে উঠতে দেয়া হয়নি। কেন তাকে এই ফ্লাইটে উঠতে দেয়া হয়নি এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ইংল্যান্ড প্রবাসী Sayed Jamal Ahmed-এর এক স্ট্যাটাস (২৮ অক্টোবর ২০২১ ইং) থেকে জানা যায় যে, মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীকে কাতার বিমানবন্দরে আটকে দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ইসলামী বক্তা মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীর ব্রিটেনে আসা প্রায় বাতিল হওয়ার পথে। জানা গেছে, আজহারী মঙ্গলবার ভোর রাতে মালয়শিয়া থেকে কাতার বিমানবন্দরে পৌঁছান, বুধবার সকালে যখন আজহারী লণ্ডনের ফ্লাইটে উঠার জন্য সংশ্লিষ্ট গেইটে আসেন তখনই সেখান থেকে তার ব্রিটেনে আসার ফ্লাইটে উঠতে দেয়া হয়নি। কেনো তাকে এই ফ্লাইটে উঠতে দেয়া হয়নি, অথবা তার ভিসা বাতিল করা হয়েছে কি না এ সম্পর্কে এখনো কোন তথ্য জানা যায়নি। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী কাতার বিমানবন্দর থেকেই গত ১০/১২ ঘন্টা ধরে চেষ্টা করা হয়েছে সমস্যা সমাধানের। তবে সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, মাওলানা মিজানুর রহমান আজহারীকে ৯৬ ঘন্টার একটি ট্রানজিট ভিসা দেয়া হয়েছে। জানা গেছে, মিজানুর রহমান আজহারী মালয়শিয়া থেকে ব্রিটেনে আইওন টিভির আমন্ত্রনে আসছিলেন। ৩১ অক্টোবর রবিবার থেকে লণ্ডনসহ ব্রিটেনের ৫টি শহরে ইসলামী বক্তব্যের আয়োজন করা হয় ব্রিটেনের আইওন টিভির পক্ষ থেকে।’ এই খবরটা পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছে। আল্লাহ তা’আলা যেন মজলুম মিজানুর রহমান আজহারীর মর্যাদা দুনিয়া ও আখিরাতে বাড়িয়ে দেন সেই দু’আই করছি। আমীন। (Collected)।

এরকম নেতিবাচক পদক্ষেপ ও প্রতিবন্ধকতা কখনোই কাম্য নয়। সত্য ও সুন্দরের প্রচার ও প্রসারে প্রতিকূল পরিস্থিতি মেনে নেয়া কষ্টকর। ১৩ জুন ২০২১ ইং। শায়খ Mizanur Rahman Azhari অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে এক স্ট্যাটাসে লিখেছেন: ॥ দ্বা’য়ীদের পথ চলা মসৃণ হোক, হোক নিরাপদ॥ কুরআনের একজন দ্বা’য়ী দল-মত-জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার কাছে কুরআনের দাওয়াত পৌঁছাবেন। দ্বা’য়ীর কাছে কোন ভেদাভেদ নেই। যিনি এই ভেদাভেদ করবেন, তিনি এই মহান দায়িত্বের মর্যাদা হানি করছেন। একজন পটেনশিয়াল দ্বা’য়ীর দাওয়াতি এরিয়া গোটা বিশ্ব। নারী-পুরুষ, যুবক-বৃদ্ধ, মুসলিম-অমুসলিম, আস্তিক-নাস্তিক যে কেউ তার অডিয়েন্স হতে পারে। সবার সাথেই তার সুসম্পর্ক থাকা উচিত। যতো বেশী মানুষকে আমরা কুরআনের কথা শুনাতে পারবো এবং ইসলামের সৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট করতে পারবো— ততো বেশী মানুষ সত্যকে চিনতে পারবে। সঠিক জীবন দর্শন সম্পর্কে জানতে পারবে। একজন ডাক্তার যেমন সবাইকে চিকিৎসা দেয়, ঠিক তেমনি একজন দ্বা’য়ীও কুরআনের আলো দিয়ে সবাইকে আলোকিত করবেন, পরম মমতায় সবাইকে আগলে রাখবেন। তাই, দ্বা’য়ীদের দলীয় সংকীর্ণতায় আবদ্ধ রাখা বা তাদের কোন দলের ট্যাগ লাগানো অনুচিত। এতে দাওয়াতি অঙ্গনে তার সার্বজনীনতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। একজন দ্বা’য়ী হবে ইনক্লুসিভ, একোমডেটিভ এবং আউটগোইং। তার কাজের ক্ষেত্র হবে সু-প্রশস্ত যাতে তিনি নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়ে বাণী বাহকের কাজ করে যেতে পারেন, কল্যাণের বাণী জাতির সামনে উপস্থাপন করতে পারেন, প্রাণবন্ত মনে কথা বলতে পারেন এবং কনস্ট্রাকটিভলি সবার কাছে ইসলামের সুমহান শাশ্বত বাণী স্মোথলি তুলে ধরতে পারেন। মিম্বারে কিংবা মঞ্চে, অনলাইনে কিংবা অফলাইনে, কী বোর্ডে কিংবা ক্যামেরার সামনে— সবখানে একজন দ্বা’য়ীর অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। সংকীর্ণ মানসিকতা, দলান্ধতা ও মতান্ধতা দ্বা’য়ীদের কাজের ক্ষেত্রকে সংকুচিত করে এবং তাদের কাজের আউটপুটও অনেকাংশে কমিয়ে দেয়। অহিংসা, উদারতা এবং সকলের প্রতি হিতাকাঙক্ষামূলক মানসিকতা— একজন দ্বা’য়ীকে নিয়ে যেতে পারে অনন্য উচ্চতায়, যা কিনা হতে পারে লাখো মানুষের হেদায়েতের মাধ্যম এবং গোটা জাতি পূনর্গঠনের উপলক্ষ। হাল আমলে কোন কোন দ্বা’য়ী নিঁখোজ হচ্ছেন, অনেকে হয়রানির শিকার হচ্ছেন, কারো দাওয়াতি অভিযাত্রা আটকে দেয়া হচ্ছে এবং কাউকে পরিকল্পিতভাবে সমালোচিত করা হচ্ছে। উন্মুক্ত পৃথিবী যেন দিনকে দিন কুরআনের দ্বা’য়ীদের জন্য সংকুচিত হয়ে উঠছে, যা মোটেও কাম্য নয়। যে দেশে গুণীজনদের কদর করা হয়না, সে দেশে গুণীজন জন্মায় না। তাই, কুরআনের দ্বা’য়ীদের বলতে দিন। তাদের থামিয়ে না দিয়ে, সমর্থন দিন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।

তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত (১), মানব জাতির জন্য যাদের বের করা হয়েছে; তোমরা সৎকাজের নির্দেশ দিবে, অসৎকাজে নিষেধ করবে (২)। [৩. সূরা আলে ইমরান: ১১০]। (১) হাদীসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: তোমরা সত্তরটি জাতিকে পূর্ণ করবে, তন্মধ্যে তোমরাই হলে আল্লাহর নিকট সবচেয়ে উত্তম এবং সবচেয়ে বেশী সম্মানিত। [তিরমিযী: ৩০০১, ৪২৮৭] (অর্থাৎ তোমাদের পূর্বে বহু জাতি গত হয়েছে, যাদের সংখ্যা সত্তরটি। এর দ্বারা সংখ্যা বা আধিক্য বোঝানো উদ্দেশ্য। মানাওয়ী, ফায়দুল কাদীর) অপর হাদীসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন: “জান্নাতীদের কাতার হবে একশ’ বিশটি। তন্মধ্যে আশিটি কাতার হবে এই উম্মতের।” [তিরমিযী: ২৫৪৬, ইবনে মাজাহ: ৪২৮৯, মুসনাদে আহমাদ: ৫/৩৫৫] অবশ্য কোন কোন বর্ণনায় এসেছে, এ উম্মত হবে জান্নাতীদের অর্ধেক। [বুখারী: ৬৫২৮, মুসলিম: ২২১] আরেক হাদীসে এসেছে, এ উম্মত সবার আগে জান্নাতে প্রবেশ করবে। [মুসলিম: ৮৫৫, ইবনে মাজাহ: ১০৮৩]। (২) মুসলিম উম্মতকে ‘শ্রেষ্ঠতম সম্প্রদায়’ বলে ঘোষনা করার কারণসমূহ কুরআনুল কারীম একাধিক আয়াতে বর্ণনা করেছে। আলোচ্য ১১০ নং আয়াতে মুসলিম উম্মতের শ্রেষ্ঠতম সম্প্রদায় হওয়ার কারণ হিসেবে বলা হয়েছে যে, তারা মানব জাতির উপকারার্থে সমুত্থিত হয়েছে। আর তাদের প্রধান উপকার এই যে, মানব জাতির আধ্যাত্মিক ও চারিত্রিক সংশোধনের চেষ্টাই তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য। পূর্ববর্তী সম্প্রদায়সমূহের তুলনায় মুসলিম সম্প্রদায়ের মাধ্যমে সৎকাজে আদেশ দান এবং অসৎকাজে নিষেধ করার দায়িত্ব অধিকতর পুর্ণত্বলাভ করেছে। পূর্ববর্তী সম্প্রদায়সমূহের মধ্যে ব্যাপক ঔদাসীন্যের দরুন দ্বীনের অন্যান্য বিশেষ কার্যাবলীর ন্যায় সৎকাজে আদেশ দান ও অসৎকাজে নিষেধ করার কর্তব্যটিও পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু এ উম্মতের মধ্যে কেয়ামত পর্যন্ত এমন একটি দল থাকবে- যারা “সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজের নিষেধ”- এর কর্তব্য পুরোপুরি পালন করে যাবে। আবুল আলিয়া বলেন, এ উম্মতের চেয়ে বেশী কোন উম্মত ইসলামের আহবানে সাড়া দেয়নি, ফলে তাদেরকে শ্রেষ্ঠ উম্মত বলে ঘোষণা দেয়া হয়েছে। [ইবন আবী হাতেম] আয়াতে এ উম্মতকে শ্রেষ্ঠ বলার সাথে সাথে তাদের কর্ম কেমন হওয়া উচিত তা বলে দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে যে, তারা সৎকাজের আদেশ করবে এবং অসৎকাজ থেকে বিরত রাখবে। হযরত ইবন আব্বাস (রা.) বলেন, মা’রূফ বা সৎকাজ হচ্ছে, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহর সাক্ষী দেয়া, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন সেগুলোর স্বীকৃতি দেয়া এবং তার উপর কাফের মুশরিকদের সাথে জিহাদে থাকা। আর সবচেয়ে বড় মা’রূফ বা সৎকাজ হচ্ছে, ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’র স্বীকৃতি আদায় করা। পক্ষান্তরে সবচেয়ে বড় মুনকার বা অসৎকাজ হচ্ছে, মিথ্যারোপ করা। [তাবারী]।

আর তার চেয়ে কার কথা উত্তম যে আল্লাহর দিকে আহবান জানায় এবং সৎকাজ করে। আর বলে, অবশ্যই আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত। [৪১. সূরা হা-মীম আস-সাজদাহ: ৩৩]। মু’মীনরা কেবল নিজেদের ঈমান ও আমল নিয়েই সস্তুষ্ট থাকে না, বরং অপরকেও দাওয়াত দেয়। বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি মানুষকে আল্লাহর দিকে ডাকে, তার চেয়ে উত্তম কথা আর কার হতে পারে? মুমিনদের সান্ত্বনা দেয়া এবং মনোবল সৃষ্টির পর এখন তাদেরকে তাদের আসল কাজের প্রতি উৎসাহিত করা হচ্ছে। আগের আয়াতে তাদের বলা হয়েছিলো, আল্লাহর বন্দেগীর ওপর দৃঢ়পদ হওয়া এবং এই পথ গ্রহণ করার পর পুনরায় তা থেকে বিচ্যুত না হওয়াটাই এমন একটা মৌলিক নেকী যা মানুষকে ফেরেশতার বন্ধু এবং জান্নাতের উপযুক্ত বানায়। এখন তাদের বলা হচ্ছে, এর পরবর্তী স্তর হচ্ছে, তোমরা নিজে নেক কাজ করো, অন্যদেরকে আল্লাহর বন্দেগীর দিকে ডাকো এবং ইসলামের ঘোষণা দেয়াই যেখানে নিজের জন্য বিপদাপদ ও দুঃখ-মুসিবতকে আহবান জানানোর শামিল এমন কঠিন পরিবেশেও দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করে: আমি মুসলিম। মানুষের জন্য এর চেয়ে উচ্চস্তর আর নেই। কিন্তু আমি মুসলিম বলে কোন ব্যক্তির ঘোষণা করা, পরিণামের পরোয়া না করে সৃষ্টিকে আল্লাহর বন্দেগীর দিকে আহবান জানানো এবং কেউ যাতে ইসলাম ও তার ঝাণ্ডাবাহীদের দোষারোপ ও নিন্দাবাদ করার সুযোগ না পায় এ কাজ করতে গিয়ে নিজের তৎপরতাকে সেভাবে পবিত্র রাখা হচ্ছে পূর্ণ মাত্রার নেকী। এ থেকে বোঝা গেল যে, মানুষের সেই কথাই সর্বোত্তম ও সর্বোৎকৃষ্ট যাতে অপরকে সত্যের দাওয়াত দেয়া হয়। এতে মুখে, কলমে, অন্য কোনভাবে সর্বপ্রকার দাওয়াতই শামিল রয়েছে। আযানদাতাও এতে দাখিল আছে। কেননা, সে মানুষকে সালাতের দিকে আহবান করে। এ কারণেই আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, আলোচ্য আয়াত মুয়াযযিন সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। কোন কোন মুফাসসির বলেন, এখানে দা’য়া ইলাল্লাহ বাক্যের পর ওয়া আ’মিলা সালিহা বলে আযান-ইকামতের মধ্যস্থলে দুরাকাআত সালাত বোঝানো হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, আযান ও একমাতের মাঝখানে যে দোআ হয়, তা প্রত্যাখ্যাত হয় না। [আবু দাউদ: ৫২১]।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত জানা থাকলেও তা অপরের কাছে পৌঁছে দাও। [বুখারী]। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা মানুষকে আল্লাহ তা’য়ালার দিকে, রাসুলের (সা.)-এর দিকে, কুরআন, হাদীস-সুন্নাহ’র দিকে আহবান জানাই। ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থসিদ্ধি নয়, আল্লাহ তা’য়ালা ও রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নির্দেশের আনুগত্য করাই উদ্দেশ্য। আল্লাহ তা’য়ালার সন্তুষ্টি অর্জনই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য।

[লেখক: সহকারী মহাসচিব, বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরীন।]

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *